June 4, 2026, 6:07 pm

সাংবাদিক কাজী মেহেদী হাসানের যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ

মিডিয়া ভয়েস ডেস্ক

বাংলাদেশি সাংবাদিক কাজী মেহেদী হাসান যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি (SIU) থেকে ম্যাস কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া আর্টস (Mass Communication and Media Arts) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ৯ মে ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর ড. অস্টিন লেন ১৫০তম সমাবর্তনে তার হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন।

ড. হাসান তাঁর গবেষণায় পরীক্ষা করেছেন যে, ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্রম-পরিবর্তনশীল মিডিয়া পরিবেশ কীভাবে রাজনৈতিক মেরুকরণের জন্য দায়ী। তাঁর গবেষণাপত্রের শিরোনাম ছিল ‘পার্সোনালাইজড পলিটিক্স ইন দা ডিজিটাল এইজ : হাউ মিডিয়া এক্সপোজার এন্ড সোশ্যাল মিডিয়া মাইক্রোটার্গেটিং ইমপ্যাক্ট পাবলিক এজেন্ডা ডাইভারসিটি এন্ড ওয়াইডন পার্টিজান পোলারাইজাশন ইন দা ইউ এস প্রেসিডেনশিয়াল ইলেকশন (২০১২-২৪)’ (ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিকৃত রাজনীতি: মিডিয়া এক্সপোজার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাইক্রোটার্গেটিং কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জন এজেন্ডার বৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করে এবং দলীয় মেরুকরণ বৃদ্ধি করে)।

এই গবেষণায় তিনি বিশ্লেষণ করেছেন কীভাবে মিডিয়া পরিবেশের পরিবর্তন—বিশেষ করে মানুষ যখন অনেক মিডিয়া থেকে সংবাদ পায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার এবং ডেটা-নির্ভর রাজনৈতিক প্রচারণা—যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং জন এজেন্ডার বৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করছে।

অধ্যাপক ড. কাভিটা কারানের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন এই থিসিস কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন ড. লিসা ব্রুটেন, ড. প্যাট্রিক মেয়রিক, ড. ওয়াল্টার মেটজ, ড. ডং হান এবং ড. ইয়োশুয়া রিউ।

ড. কাজী মেহেদী হাসান যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় এম. এস, এস এবং বি. এস. এস (সম্মান) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশে সুপরিচিত টেলিভিশন সাংবাদিক ‘সুজন মেহেদী’ নামে পরিচিত ছিলেন এবং ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন, চ্যানেল ওয়ান ও এনটিভিসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলে কাজ করেছেন।

ড. হাসান যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি মাইকেল মধুসূদন ইনস্টিটিউশন থেকে এসএসসি পাস করেন। তিনি কেশবপুর উপজেলার শেখপুরা গ্রামের কাজী ওহিদুল ইসলাম এবং মিসেস শিরিনা ইসলামের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

বর্তমানে ড. হাসান যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি (SIU) সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।



Our Like Page